ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

৯ মাসে ডেঙ্গুর থাবায় ৪৩৬ জনের মৃত্যু

  • আপলোড সময় : ২২-১১-২০২৪ ১২:১৪:১৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১১-২০২৪ ১২:১৪:১৬ পূর্বাহ্ন
৯ মাসে ডেঙ্গুর থাবায় ৪৩৬ জনের মৃত্যু
* ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার ২১৪ জন
* চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়াদের মধ্যে ২১৫ জন পুরুষ ও ২২১ জন নারী
* ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৩৩৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন
আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৮৪ হাজার ৩৬৮ জন
 
ডেঙ্গুর থাবায় চলতি বছরের পৌণে নয় মাসে বাংলাদেশে ৪৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার ২১৪ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়াদের মধ্যে ২১৫ জন পুরুষ ও ২২১ জন নারী। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪ হাজার ৩৬৮ জন। এছাড়া  ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৩৩৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। চলতি নভেম্বর মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত মোট ১১২ জন মারা গেছেন। বাংলাদেশে সাধারণত গ্রীষ্মকালে ডেঙ্গু রোগের মৌসুম হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বর্তমানে সারা বছরই এ জ্বরের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতীতের বছরগুলোতে শহরের বাসা বাড়িতে আবাসিক ধরনের মশা (এডিস ইজিপ্টি) ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঘটালেও বর্তমানে গ্রামাঞ্চলের বুনো মশাও (এডিস এলবোপিকটাস) এ রোগের বাহক হিসেবে কাজ করছে। গত কয়েক বছর ধরে অব্যাহতভাবে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঘটলেও যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ না করায় এটি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত প্রতিরোধযোগ্য রোগ।    
২০০০ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু দৃষ্টিগোচর হয়। ওই সময় শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হয়। এবং মৃত্যুর হারও ছিল উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর  সাড়ে পাঁচ হাজার জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন এবং ৯৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০০১ সালে আড়াই হাজার জন আক্রান্ত হন এবং ৪৪ জনের মৃত্যু হয়। ২০০২ সালে ছয় হাজার ডেঙ্গুরোগীর মধ্যে ৫৮ জন মারা যান। পর্যায়ক্রমে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঘটতেই থাকে। তবে ২০১৪ সালে ৩৭৫ জন ডেঙ্গুরোগীর মধ্যে কেউ মারা যাননি। ২০২০ সালে দেড় হাজার মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও মৃত্যু হয় চারজনের। আর ২০২১ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় সাড়ে ২৮ হাজার, মারা যান ১০৫ জন। ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং মোট ২৮১ জন মারা যান। ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর যথেষ্ট কার্যক্রমে বড় ধরনের ঘাটতি আছে, এর ফলে ডেঙ্গু আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক গতিতে বাড়ছে। পাশাপাশি ব্যক্তিপর্যায়ে অসচেতনতাও ডেঙ্গুতে মৃত্যুর আরেকটি কারণ।
চলতি বছরের নভেম্বরসহ ডিসেম্বরেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশ ব্যাপক থাকছে। বর্তমানে দেশে এডিস মশাও আছে আবার রোগীও আছে, দুইটা বিষয় যখন একসাথে থাকে তখন ডেঙ্গু বাড়তে থাকে।  একজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, ডেঙ্গু সারা দেশে ছড়িয়ে গিয়েছে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স